সর্বশেষ

২০টি ফুলকপি এক গাছে

একটি গাছে সাধারণত একটিই ফুলকপি ধরে থাকে। তবে একটি দুটি নয়, এবার দেখা মিললো একই গাছে ছোট-বড় ২০টি ফুলকপির সমাহার। অবাক করা এই বিরল ঘটনাটি ঘটেছে খাগড়াছড়ির সীমান্তঘেঁষা পানছড়ি উপজেলার তালুকদার পাড়ায়।

শীতকালীন সবজি হিসেবে তরকারি, কারি, স্যুপ ও বড়া তৈরিতে তুমুল জনপ্রিয় এ সবজিতে রয়েছে সালফার, পটাশিয়াম, ফসফরাস ও খনিজ উপাদান। সে ক্ষেত্রে বাজারে ও ভোক্তাকুলে ব্যাপক চাহিদা থাকায় ফুলকপি চাষে কৃষকদের বেশ আগ্রহ লক্ষ্য করা যায়।

তবে নিজের খেতে চাষ করা এই সবজিটির মধ্যে একটি গাছে একটি দুটি নয়, ২০টি ফুলকপি দেখে বিস্ময়-আনন্দের যেন সীমা নেই চাষী মো. আমিনুল হকের। তার খেতের আরেকটি গাছেও ধরেছে ৬টি ফুলকপি।

ওই দুই গাছ মিলে ২৬টি ফুল ধরার এমন বিরল দৃশ্য দেখতে স্থানীয়দের যেন বিস্ময়-কৌতুহলের শেষ নেই। প্রতিদিনই ওই দৃশ্য নিজ চোখে দেখতে ভিড় করছে আমিনুল হকের খেতে। ফলে লোকজনের এই আনাগোনা কৃষক আমিনুলের আনন্দের মাত্রা আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

পানছড়ি বিজিবির ক্যাম্প সংলগ্ন অক্ষয় মেম্বার পাড়া সড়কের কাছে প্রায় ৬০ শতক জমিতে এবার ফুলকপি চাষ করেছেন আমিনুল হক। বেশ কয়েক বছর ধরে ফুলকপি চাষ করলেও এমন বিরল ও বিস্ময়কর ঘটনা এর আগে কোথাও ঘটেছে বলে শোনেননি তিনি।

এদিকে, খবর পেয়ে শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান পানছড়ি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দিন শেখ। বিরল এ দৃশ্য প্রত্যক্ষ করে তিনি বলেন, প্রতিটি গাছে সাধারণত একটি করে ফুল ধরলেও বিভিন্ন সময়ে একই গাছে সর্বোচ্চ ৩-৪টি ফুলকপি হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে একই গাছে ৬টি কিংবা ২০টি ফুলকপি হওয়ার ঘটনা এই প্রথম জানলাম ও দেখলাম।

সাধারণত শস্য গাছে বিদ্যমান ওক্সিন হরমোনের প্রভাবে এমনটি হতে পারে বলে ধারণা করছেন কৃষি কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দিন শেখ।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ