সর্বশেষ

সিলেট সিটি করপোরেশন ৯ নং ওয়ার্ডে সরকারী ত্রান দুইশত টাকায় বিক্রির অভিযোগ

সিলেট সিটি করপোরেশন ৯ নং ওয়ার্ডে সরকারী ত্রান দুইশত টাকায় বিক্রির অভিযোগ

ফারুক আহমদ চৌধুরীঃ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসাবে সিলেট সিটি করপোরেশন কতৃক ২৭ ওয়ার্ডে অসহায় দুস্থ মানুষের মধ্যে ত্রান বিতরন সামগ্রী বন্টন সিলেট সিটি কর্পোরেশন মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। প্রত্যেক ওয়ার্ডের কাউন্সিলর গন নিজ নিজ ওয়ার্ডে তা বন্টন করেন।

তারই ধারাবাহিকতা সিটি কর্পোরেশনের ৯ নং ওয়ার্ডে ও সেই কার্যক্রম চালু হলে। তাতে শুরু হয় স্বজনপ্রীতি ও কার্ড বিক্রির হিড়িক।  গত ২৪ জুলাই বিকেল আনুমানিক ৩/৪ টার সময় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করলে খোঁজ নিয়ে জানাযায়, কাউন্সিলর অফিসে কর্মরত মাহবুব ও নরশিংটিলা এলাকায় আরিফ আহমদ পলাশের ওয়েল্ডিং ওয়ার্কসপের কর্মচারী শাহরিয়ার কাউন্সিলর মখলিছুর কামরানের ভিজিটিং কার্ডে উক্ত ত্রানের স্লিপ তৈরী করে প্রতিটি কার্ড ২০০ টাকা করে ৯ টির কার্ড ১৮০০ টাকায় বিক্রি করেন, হোটেল ব্যবসায়ী মনু মিয়ার কাছে ২টি,দেলোয়ার এর নিকট ১ টি,আনোয়ারের মা ১ টি,দুলাল মিয়ার নিকট ১ করে আরো অনেকের কাছে বিক্রি করে।অভিযুক্ত দুজনেই বাগবাড়ী নরশিংটিলার বাসিন্দা।

এঘটনা এলাকাবাসীর মধ্য  ছড়িয়ে পড়লে এলাকার মানুষ ক্ষোভে ফেটে পড়ে। তারা এলাকার পঞ্চায়েত কমিটিসহ সুশীল সমাজের কাছে জানান,তারা তাৎক্ষনিক মখলিছুর রহমান কামরান কে জানিয়ে উনার অফিসে চলে যান।

এর আগে গত ২৪ জুলাই ত্রান বিতরণকালে কাউন্সিলর মখলিছুর রহমান কামরান জৈনক ব্যক্তিকে একসাথে দুটি কার্ড সহ আটক করলে বিষয়টি আরো স্পষ্ট হয়। ঐ ব্যক্তি একটি কার্ড দুইশত টাকায় ক্রয় করার কথা জানায়। তখন বাগবাড়ী নরশিংটিলার ঘটনাটি ও কর্নপাত হলে তিনি তাহার অফিস সচিব পিন্টু আহমদ কে ঘটনাস্থলে পাঠালে তিনি ও কার্ড বিক্রির অভিযোগের সত্যতা পান।

এব্যাপারে মুঠোফোনে মখলিছুর রহমান কামরান এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। গত ২৪ জুলাই রাত ৮/৯ টার দিকে কাউন্সিলর অফিসে বিষয় টি নিয়ে বিচার কার্যক্রম চলছে বলে তিনি জানান।

পরবর্তীতে ঐদিন রাত আনুমানিক ৯ ঘটিকার সময়  নরশিংটিলা উন্নয়ন কমিটির সভাপতি মঈনুল হক চৌধুরী, এডভোকেট জাহিদ সারোয়ার সবুজ,সুফিয়ান আহমদ,আনোয়ার আহমদ,তাজউদ্দীন আহমদ ও কাউন্সিলরের অফিস সচিব পিন্টু আহমদ সহ এলাকার যুব সমাজের উপস্থিতিতে অভিযুক্ত মাহবুব আহমদ, ও শ্রমিক শাহরিয়ারের মাধ্যমে অবৈধভাবে বিক্রি করা কার্ডের মালামাল পঞ্চায়েত কমিটি ও এলাকাবাসীর সন্মুখে নিয়ে আসা হয়।

পরে দুজনকে ব্যপক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে দুজনকে অপরাধী সনাক্ত করে বিচার শেষে অভিযুক্তদের অবিভাবকদের উপস্থিততে অদুর ভবিষৎতে এরকমের কার্যকলাপের থেকে নিজেদের বিরত থাকার উপর বন্ড নেওয়ার সিদ্ধান্তে বিচার সমাপ্তি করা হয়। কিন্তু পরে আবার আজ ২৫ জুলাই

তবে এই বিচারের এলাকাবাসী ও সচেতন মহলের একাংশ দ্বিমত পোষণ করেন।

50% LikesVS
50% Dislikes
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ