সর্বশেষ

সিলেট লকডাউনে বেড়েছে মানুষ ও যানবাহন চলাচল

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে কঠোর লকডাউনের অষ্টম দিনে সিলেটের সড়কগুলোতে মানুষ ও যানবাহনের উপস্থিতি তুলনামূলক বেশি দেখা গেছে।

বৃহস্পতিবার (৮ জুলাই) দুপুরে সিলেট নগরীর বিভিন্ন সড়ক ঘুরে দেখা গেছে, আগের দিনগুলোর তুলনায় সড়কে যানবহন অনেক বেড়েছে। লকডাউন ভেঙে কাজে বের হওয়া মানুষের সংখ্যাও অন্যান্য দিনের তুলনায় অনেক বেশি। সেই সঙ্গে যানবাহনও বেড়েছে সড়কে।

বৃহস্পতিবার বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে যানবাহনের চলাচল। লকডাউন মানার ক্ষেত্রে ঢিলেঢালা ভাব লক্ষ্য করা গেছে।

নগরীর শাহজালাল উপশহরস্থ রোজভিউ পয়েন্টে কথা হয় বেসরকারি চাকরিজীবী রবিউলের সঙ্গে। তিনি বলেন, অফিস খোলা থাকায় বের হতে হয়েছে। নিজস্ব গাড়ি নেই তাই রিকশা করেই অফিসে যাচ্ছি।

এদিকে, বৃহস্পতিবার সিলেটের রাস্তাগুলোতে সিএনজিচালিত অটোরিকশা আগের দিনগুলোর চেয়ে বেশি দেখা যায়। অনেক অটোকিরশায় ৫ জন যাত্রী তুলেন চালকরা। সিএনজি অটোরিকশা চালক জুয়েল রানা বলেন, বাসায় খাবার নেই। রাস্তায় বের হলে মামলা দেয়। পেটের দায়ে মামলার ভয় উপেক্ষা করে বের হয়েছি।

নগরীর বিভিন্ন সড়ক ও পেয়েন্ট পুলিশের তল্লাশিও কিছুটা শিথিল দেখা যায়। রাস্তায় রিকশার উপস্থিতি ছিল বেশ। বাইসাইকেল, মোটরসাইকেল, ব্যক্তিগত গাড়ি এবং মাইক্রোবাসও দেখা গেছে। এছাড়াও মোটরসাইকেলে দিব্যি ভাড়ায় নিয়ে যাচ্ছে লোকজনকে।

উল্লেখ্য, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বেড়ে যাওয়ায় গত বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) সকাল ৬টা থেকে শুরু হয় সাত দিনের কঠোর বিধিনিষেধ। এই বিধিনিষেধ ছিল ৭ জুলাই মধ্যরাত পর্যন্ত। পরে বিধিনিষেধের মেয়াদ আরও ৭ দিন অর্থাৎ ১৪ জুলাই পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে ২১টি শর্ত দেয়া হয়। শর্ত অনুযায়ী, এ সময়ে জরুরি সেবা দেয়া দফতর-সংস্থা ছাড়া সরকারি-বেসররকারি অফিস, যন্ত্রচালিত যানবাহন, শপিংমল দোকানপাট বন্ধ থাকবে। খোলা থাকবে শিল্প-কারখানা। জনসমাবেশ হয় এমন কোনো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা যাবে না এই সময়ে।

50% LikesVS
50% Dislikes
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ