সর্বশেষ

নিউজ ডেস্কঃ বাগবাড়ী নরশিংটিলায় জাল দলিল সৃষ্টি করে ভুমি আত্মসাৎ করার পায়তারা

সিলেট নগরীর বাগবাড়ী নরশিংটিলা এলাকার বাগবাড়ী মৌজার জে,এল নং ৯০ এস,এ খতিয়ান নং- ২১৯,এস,এ দাগ নং-১২১২ মোট০.৪৭ একর ভুমির এস,এ রেকর্ডিয় মালিক ছিলেন নগরীর ভাতালিয়া নিবাসী ১.আব্দুল আজিজ,২.আব্দুল রহিম,৩.আব্দুল গফুর,৪ আব্দুল রাজ্জাক সর্ব পিতা জৈইন উল্লা। পরবর্তীতে আব্দুল আজিজের মৃত্যুর পরে তাহার ঔরসজাত সন্তান যথাক্রমে ১.সামছ উদ্দিন,২.গিয়াস উদ্দিন, ৩.হেলাল উদ্দিন তাদের বিশেষ প্রয়োজনে তাহাদের মৌরশি সত্ব,বিগত ০৪/০১/১৯৭৯ ইংরেজি সনে বিশ্বনাথ উপজেলার ৬নং ইউনিয়নের চানশীর কাফন নিবাসী মৃত আনফর আলীর পুত্র গিয়াস আলীর নিকট ৮০০০ হাজার টাকা মুল্যধার্য্য করিয়া ০.১৬ একর ভুমি বিক্রয় করেন।যার দলিল নং-৩৬২/৭৯ ইং
পরবর্তীতে বিশ্বনাথ চানশীর কাফন নিবাসী গিয়াস আলী বিগত ০১/০৯/২০২০ ইং বাগবাড়ী মৌজার জে,এল নং- এস,এ ৯০,বিএস,৭৫, খতিয়ান নং-এস,এ ২১৯ নামজারীকৃত- ২১৯/১ বিএস বুজারত-১১৪৪৬, বিএস,ডি,পি -২০৪৭, দাগ নং- এস,এ-১২১২,বিএস,-১১৪১৩ এর অন্তর্ভুক্ত ০.১৬ একর ভুমি বিশেষ প্রয়োজনবোধ করিয়া বাগবাড়ী নরশিংটিলা নিবাসী মৃতঃ জাফর খানের পুত্র মোঃ নাহিদ খান ও পশ্চিম কাজলশাহ নিবাসী মৃতঃ আমির আলীর পুত্র খোকন আহমদের নিকট ৩৭,২০,০০০ টাকা মুল্যধার্য্য পুর্বক সরকারী নিয়মানুসারে বিক্রয় করেন। যার দলিল নং- ৫১৮৪/২০২০ ইংরেজি।
বর্তমানে বিশ্বনাথ ঘরগাও নিবাসী মৃতঃ জহির খানের পুত্র যুক্তরাজ্য প্রবাসী মোহাম্মদ হিরন খান, লোকবল লাগিয়ে গিয়াস আলীর নামের সাথে মোহাম্মদ হিরন খান উরফে গিয়াস আলী নাম করে উপরোক্ত তফশীল বর্নিত ভুমির মালিকানা দাবী করছে। প্রকৃতপক্ষে গিয়াস আলীর নামে সাথে হিরন খান সংযুক্ত করে যে সকল তথ্যাদি প্রকাশ করিয়া বাগবাড়ী মৌজার ১৬ একর ভুমি আত্মসাৎ করার পায়তারা করছেন তাহা সম্পুর্ন মিথ্যা ও বানোয়াট। গিয়াস আলীর বাড়ি বিশ্বনাথ চানশীর কাফন,পিতার নাম আনফর আলী আর মোহাম্মদ হিরন খান উরফে গিয়াস আলীর বাড়ী বিশ্বনাথ ঘরগাঁও,পিতার নাম মৃত জহির খান। যদি মোহাম্মদ হিরন খান উরফে গিয়াস আলী একই ব্যক্তি হয়ে থাকেন তাহলে বাবার নাম দু রকম আর ঠিকানা দুই জায়গায় হয় কেন।গিয়াস আলী কোন প্রবাসী ব্যক্তি নহে পক্ষান্তরে হিরন খান উরফে গিয়াস আলী যুক্তরাজ্য প্রবাসী হয় কিভাবে?
হিরন খান উরফে গিয়াস আলীর পার্সপোর্ট ও সিটির পানির বিল,বিদ্যুত বিলের কপিতে ও তাহার পিতার নাম মৃতঃ জহির খান নামে উল্লেখ করা আছে। এতেই প্রমানিত হয় গিয়াস আলী আর হিরন খান উরফে গিয়াস আলী দুই ব্যক্তি। একজনের সাথে আরেক জনের কোন মিল নেই। পিতার নাম ও ঠিকানা ভিন্ন। হিরন খান উরফে গিয়াস আলী গং একটি সংঘবদ্ধ জালিয়াত চক্র এরা গিয়াস আলীর নাম আইডি জালিয়াতি পুর্বক দলিলপত্র সংগ্রহ করে উপরোক্ত তফসিল বর্নিত ভুমির মালিকানা দাবী করছে। যাহা প্রকৃত তদন্ত স্বাপেক্ষে প্রমানিত হবে।এ ব্যাপারে বর্তমান ভুমির মালিক মোঃনাহিদ খান ও খোকন আহমদ উক্ত হিরন খান উরফে গিয়াস আলী গংদের জালিয়াতি ও দখলবাজি প্রতিরোধে সিলেট জেলা প্রশাসন,ভুমি কর্মকর্তা,র্যাব সহ সংশ্লিষ্ট মহলের সুদৃষ্টি কামনা করছেন।
এরা যে একটি সংঘবদ্ধ জালিয়াতি চক্র তাহা প্রমানে সত্য ও নির্ভরযোগ্য তথ্য উনাদের নিকট রহিয়াছে।

50% LikesVS
50% Dislikes
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ