সর্বশেষ

নগরী আখালিয়ায় প্রবাসীর বাসায় হামলা ভাংচুরের অভিযোগ

নিউজ ডেস্কঃ আখালিয়া  নোয়াপাড়া প্রবাসীর বাড়িতে হামলা ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ

সিলেট নগরীর আখালিয়ায় নোয়াপাড়ায় বন্ধন-ব্লক এ/১৯নং বাসা যুক্তরাজ্য প্রবাসী আলহাজ মো: শফিক মিয়ার ভাড়াটিয়া বাসায় হামলা করে লুটপাট চালিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনা গত ২১শে মার্চ রাত আনুমানিক ১২টার সময় একদল লুটেরাচক্রকে সাথে নিয়ে মোছা: জাহেনা বেগম ও তাহার ভাই মো: গয়াছ মিয়ার এর নেতৃত্বে রুহুল আমিন, মনির হোসেন।নাজমুল আলম ও শফিকুর রাহমানসহ অজ্ঞাত ২০/২৫জন ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে প্রবাসী শফিক মিয়ার ভাড়াটিয়া বাসা ভাংচুর ও লুটপাটে করে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় প্রবাসী শফিক মিয়ার ভাগনা কামরুজ্জামান বাদী হয়ে জালালাবাদ থানায় মামলা প্রস্তুতি নিচ্ছে ।
ঘটনাসূত্র জানান যে মোছা: জাহেনা বেগম ও তাহার ভাই মো: গয়াছ মিয়ার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে বিগত-১১/০৩/২০২০ইং তারিখে সিলেট এস এম পি পুলিশ কমিশনার বরাবারে যুক্তরাজ্য প্রবাসী আলহাজ¦ মো: শফিক মিয়ার একটি লিখিত অভিযোগ করেন। এই ঘটনা রেষে ও চাঁদা না পেয়ে একের পর এক হামলা ভাংচুর ও লুটপাট চালিয়ে যাচ্ছে।
এসময় কামরুজ্জামান জানান, তাদের স্থায়ী ঠিকানা সুনামগঞ্জে জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার গন্ধবপুর গ্রামের মৃত আলখাছ মিয়ার পুত্র মো: শফিক মিয়া। জালালাবাদ থানার ব্রাহ্মণশাসন মৌজায় আখালিয়ায় নোয়াপাড়ায় বন্ধন-ব্লক এ/১৯নং বাসা ৮শ জমির উপর একতলা ভবন তৈরী করে প্রবাসে চলে যান,এর পর থেকে আমি বাসা দেখাশুনা করে আসছি,হঠাৎ করে জাহেনা বেগম ও তাহার ভাই মো: গয়াছ মিয়ার একদল সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্রসজ্জায় সজ্জিত হয়ে বাসায় হামলা ভাংচুর ও লুটপাট চালায়। আমি ঘটনা খবর পেয়ে স্থানীয় কাউন্সির মো: ইলিয়াছুর রহমান ইলিয়াছ ভাইকে অবগত করে জালালাবাদ থানায় আমার ব্যবরিত মুঠোফোন থেকে খবর দিলে তাৎক্ষনিক এস আই জামাল এর নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে।পুলিশের উপস্থিত টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় কাউন্সিলরসহ পুলিশ ঘটনারস্থল পরিদর্শণ করেন। তিনি আরোও জানান ঐ মহিলার উপর থানা একাদিক অভিযোগ রয়েছে। জালালাবাদ থানা সি আর মামলা নং ১৮৬।

এব্যাপার ৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ইলিয়াস আহমদ জানান আমি খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই,এবং জালালাবাদ থানায় খবর দিলে এই আই জামাল সহ আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে বাসার কলাপসিবল গেইটের তালা ভাঙ্গা পাই,ভিতরে আসবাপত্র বিছনাপাতি ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে থাকতে দেখি। এসময় এইআই জামাল আমার সাথে থেকে সবকিছু পরিদর্শন করেন। পরে আমরা  কামরুজ্জামানকে জিজ্ঞসা করলে তিনি আমাদেরকে সবকিছু জানান।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জালালাবাদ থানার এস আই জামাল বলেন, খবর পেয়ে ঘটনারস্থলে যাই। সেখানে গিয়ে স্থানীয় কাউন্সিলরকে পাই তখন ঘটনার বিষয় জানতে চাইলে প্রবাসী ভাগনা কামরুজ্জামানকে বলেন বিষয়টি কাউন্সিলর কে জিজ্ঞাস করুন। তবে এবিষয় থানা অভিযোগ করা হলে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নিবো।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ