সর্বশেষ

প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা চান আওয়ামীলীগের প্রবীন কর্মী জহুর আলী

হাজী জহুর আলী। একজন বঙ্গবন্ধু প্রেমিক বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের একনিষ্ট কর্মীর নাম। সিলেট জেলার দক্ষিণ সুরমা উপজেলার লালাবাজার ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা জহুর আলী আওয়ামীলীগের এক নিবেদিত প্রাণ। ৭৮ বছর বয়সী জহুর আলী আজীবন থেকেই আওয়ামী রাজনীতির সাথে জড়িত। কখনোই বড় পদ পদবীর আশা করেননা তিনি। পাকিস্তান আমল থেকে দুই দুইবার ইউপি সদস্য ছিলেন।
১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ রাজধানীর রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর সেই ঐতিহাসিক ভাষণ মাঠে উপস্থিত থেকে শ্রবণ করেছেন তিনি। আজো তার হৃদয়ে বঙ্গবন্ধুর সেই ভাষণটি নাড়া দেয়। তিনি তখন ঢাকায় ব্যবসা করতেন। সে সময়ে তিনি অনেকবার বঙ্গবন্ধুর সান্নিধ্যে গিয়েছেন।

মুক্তিযুদ্ধকালীন অনেক ছবি ও পত্রপত্রিকা এখনো তার কাছে সংরক্ষিত আছে বলে জানিয়েছেন তিনি। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর জহুর আলী বেশ কিছুদিন মধ্যপ্রাচ্যে ছিলেন। ৯০ দশকে দেশে এসে আবারো দলীয় কাজে সম্পৃক্ত হন। ৯০ দশক থেকে ৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। জাতীয় নির্বাচন থেকে শুরু করে স্থানীয় নির্বাচনে তাঁর ভূমিকার কথা প্রশংসা করেন দলের অনেক সিনিয়র নেতা। বয়সের ভারে ন্যুজ জহুর আলী এখনো দলের সকল কর্মসূচীতে নিয়মিত অংশগ্রহণ করেন। নিজের সহায় সম্পত্তি বিক্রি করে ও দলীয় কাজে অংশ নেয়ার নজির রয়েছে এ বয়োবৃদ্ধ কর্মীর। সিলেট ৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরীসহ দলের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতা বঙ্গবন্ধু প্রেমিক জহুর আলীর সম্পর্কে অবগত রয়েছেন। জহুর আলী জানান, মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের বিভিন্নভাবে সহায়তা করেছেন। কখনো খাবার দিয়ে আবার কখনো আশ্রয় দিয়ে বীর সেনানীদের পাশে ছিলেন তিনি।

তবে আওয়ামীলীগের এই একনিষ্ট কর্মীর বাড়ির রাস্তাটি আজো কাচা। এটি তার জন্য অনেক বড় কষ্টের বিষয় বলে জানিয়েছেন। রাস্তাটি দ্রুত নির্মাণ করে দিতে তিনি সরকারের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন। এদিকে সব হারিয়ে হাজী জহুর আলী আজ অনেকটা নিঃস্ব। দীর্ঘদিন থেকে অসুস্থ থাকলেও অর্থের অভাবে চিকিৎসা করাতে পারছেননা। তাকে আর্থিকভাবে সহযোগিতা করতে তিনি সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিকট আকুল আবেদন জানিয়েছেন। বিজ্ঞপ্তি

50% LikesVS
50% Dislikes
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ