সর্বশেষ

পনির নিচে কোম্পানিগঞ্জের সহস্রাধিক বাড়ি-ঘর

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম ইসলামপুর ইউনিয়নের প্রায় সহস্রাধিক বাড়ি-ঘর অল্প বৃষ্টি বা পাহাড়ি ঢলে প্লাবিত হয়ে যায়। ৫ বছর আগেও এসব বাড়িঘরে বন্যাতো দূরে থাক জলাবদ্ধতাও সৃষ্টি হতো না।

পশ্চিম ইসলামপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের ছনবাড়ী সোনাই নদীর উত্তর দিকে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত পিলার থেকে প্রায় ৩শত ফুট দক্ষিণে নদীর পূর্ব পাড়ের ৫ শত ফুট জায়গায় ভাঙ্গনের ফলে যে ঢালার (পানি যাতায়াতের রাস্তা) সৃষ্টি হয়েছে তা ছনবাড়ী, জালিয়ারপাড়, বাবুলনগর, চিকাডহর ও নারাইনপুর গ্রামের প্রায় ৩ হাজার মানুষের জন্য কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। অল্প বৃষ্টি বা পাহাড়ি ঢল হলেই এই গ্রামগুলো পানির নিচে তলিয়ে যায়।

ভারত থেকে আসা পাহাড়ি ঢলের প্রবল স্রোতের কারণে সোনাই নদীর এই অংশটুকুতে ভাঙ্গন দেখা দেয়। ইউনিয়ন চেয়ারম্যান, মেম্বার ও স্থানীয়দের মাধ্যমে ২০১৭-১৮ সালে বেড়িবাঁধ দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু ভারতের বাঁধার কারণে তা আর সফলতার মুখ দেখেনি। প্রশাসনের কাছে ভুক্তভোগী এলাকার লোকজনের দাবি ভারতের সাথে আলোচনা করে দ্রুত এই বেড়িবাঁধটি নির্মাণ করার উদ্যোগ নেয়া হোক।

পশ্চিম ইসলামপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান শাহ মোঃ জামাল উদ্দিন বলেন, ২০১৭-১৮ সালে দুবার এখানে বাঁধ নির্মাণ করার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু বিএসএফ বর্ডার সুরক্ষা আইনের মাধ্যমে আমাদের কাজ আটকিয়ে দেয়। তাই আর বাঁধ নির্মাণ করা সম্ভব হচ্ছে না। তিনি বলেন, যদি বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে নদী ভাঙ্গন প্রকল্পের আওতায় এনে এই বেড়িবাঁধটি নির্মাণ করা হয় তাহলে ওই এলাকার প্রায় তিন হাজার মানুষ আকস্মিক বন্যা থেকে রক্ষা পাবে।

50% LikesVS
50% Dislikes
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ