সর্বশেষ

সিলেটের সবক’টি নদনদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে

অবিরাম বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সিলেটের সবক’টি নদনদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে নদী তীরের বিভিন্ন উপজেলায় নিম্নাঞ্চলে আবারও পানি বাড়তে শুরু করেছে। ঘরবাড়িতে পানি উঠেছে। নতুন করে বন্যায় হাওরাঞ্চলের ফসলি জমি আরেক দফা তলিয়ে গেছে। এতে পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন লাখো মানুষ।

সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্র জানায়, শনিবার বেলা ১২টায় সুরমা নদীর কানাইঘাট পয়েন্টে পানি বিপদসীমার ৬৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। একই সময়ে সিলেট পয়েন্টে সুরমা নদীর পানি বিপদসীমার ৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। এছাড়া সারি নদীর সারিঘাট পয়েন্টে বিপদসীমার ১১ সেন্টিমিটার ও কুশিয়ারার ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়।

এছাড়া বাকি সবকটি পয়েন্টে পানি বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও আগের চেয়ে বেড়েছে। তাছাড়া বৃষ্টিপাতও অব্যাহত রয়েছে। কানাইঘাটে শনিবার বেলা ১২টা পর্যন্ত ৮২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। একই সময় পর্যন্ত সিলেটে ৫৫ মিলিমিটার ও শেওলায় ৩৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়। নদীর পানি বাড়ায় গোয়াইনঘাট, জৈন্তাপুর, কানাইঘাট ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এ কারণে চরম দুর্ভোগে রয়েছেন পানিবন্দি মানুষ।

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, সুনামগঞ্জে প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ী ঢলে আবারও প্লাবিত হয়েছে নিম্নাঞ্চল। প্রবল বেগে বাড়ি ঘরে ঢুকছে পানি। সেই সঙ্গে বইছে বাউরি হাওয়া। ঘরবাড়ি ঢেউয়ের আঘাতে আবারও বিধ্বস্ত হচ্ছে। সব মিলিয়ে হাওরের লোকজন ভীত বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সুত্রে জানা যায়, ১১ জুলাই সুনামগঞ্জের ষোলঘর পয়েন্টে সুরমা নদী বিপদসীমার ৫১ সে: মিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। খবর নিয়ে জানা গেছে শহরের নবীনগর, ষোলঘর, আরপিননগর, মাছ বাজার, পশ্চিমবাজার, বড়পাড়া, উকিলপাড়া, কালিপুর, পূর্ব সুলতানপুর, মল্লিকপুরের সুরমা নদীর তীরবর্তী এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

এদিকে সদর, ছাতক, তাহিরপুর, দোয়ারাবাজার, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় নতুন করে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন লোকজন। কয়েকটি উপজেলার সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ রয়েছে।

50% LikesVS
50% Dislikes
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ