সর্বশেষ

জগন্নাথপুরের হোটেল-রেস্তোরাঁয় মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি

 

করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে সচেতনতায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক দীর্ঘদিন জগন্নাপুর উপজেলার সবকটি হাট-বাজার এবং গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টের হোটেল -রেস্তোরাঁ ও টং দোকানে চা চক্র বন্ধ থাকার পর কয়েক দিন ধরে খুলেছে। তবে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি।

বিশ্ব কাঁপানো মরনব্যাধী করোনাভাইরাস এর সংক্রমণ প্রতিরোধে সচেতনতায় সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক বিগত ২৩ মার্চ সন্ধ্যা থেকে স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশে প্রবাসী অধ্যুষিত সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় ঘোষিত লকডাউন শুরু হয়। রমজান মাসের মাঝামাঝি সময়ে দেশজুড়ে লকডাউন সীমিত হলেও জগন্নাথপুর বাজারে হোটেল-রেস্তোরাঁ গুলো বন্ধ ছিল।
গত ৫ ই জুলাই সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত সকল ধরণের দোকানপাট খোলা রাখা যাবে মর্মে সরকারি নির্দেশনার পর থেকে জগন্নাথপুর উপজেলায় সেই পুরোনো চিত্র ফিরে এসেছে।

আজ ৮ ই জুলাই রোজ বুধবার সরজমিন ঘুরে দেখা যায়, জগন্নাথপুর উপজেলা সদর বাজার সহ সবকটি হাট-বাজার গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট ও রাস্তার পাশের অনেক হোটেল-রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ীরা তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে ব্যবসা কার্যক্রম পরিচালনা শুরু করেছেন। অপ্রিয় হলেও সত্য যে স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই এই ব্যবসা পরিচালনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি বসে চা-নাস্তা এমনকি ভাত ও খাচ্ছেন জনসাধারণ।

এ ব্যাপারে অনেকেই তাদের মতামত ব্যাক্ত করতে গিয়ে বলেন, সামাজিক দুরত্ব বজায় না রেখে যে ভাবে কাছাকাছি বসে পানাহার করা হচ্ছে তাতে করোনাভাইরাস সংক্রমণ দ্রুততার সহিত সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ার আশংকা বিরাজমান। ইতিমধ্যে উপজেলায় ৯৬ জন করোনা ভাইরাস পজেটিভ শনাক্ত হয়েছেন। তমধ্যে ৬৮ জন সুস্থ হয়েছেন। করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখার লক্ষে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ কামনা করছেন সচেতন মহল।

জগন্নাথপুর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাহফুজুল আলম মাসুম বলেন, সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতকরণ এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে হোটেল-রেস্তোরাঁর কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে ব্যবসায়ীদের। আমরা বাজার তদারকি করব।

উল্লেখ্য, জগন্নাথপুরে করোনার সংক্রমণ দিন দিন বেড়েই চলেছে। এরই মধ্যে জগন্নাথপুরের ৯৬ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ৬৮ জন সুস্থ হয়েছেন। সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি অধিকাংশ মানুষ মানছেন না। করোনার ঝুঁকি নিয়ে বাইরে অবাধে চলাচল করছেন উপজেলাবাসী।

50% LikesVS
50% Dislikes
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ