সর্বশেষ

সিলেটে নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করেছে

বৃষ্টিপাত কমে আসায় সিলেটে নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। তবে নদীতে ধীর গতিতে কমছে পানি। তাই প্লাবিত এলাকাগুলোর পানিও কমছে ধীর গতিতে। এজন্য পানিবন্দি মানুষের দুর্ভোগও বাড়ছে।
মঙ্গলবার দুপুরে একমাত্র সুরমার কানাইঘাট পয়েন্টে বিপদসীমার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়। এছাড়া সুরমা-কুশিয়ারা-সারীসহ অন্য সব নদ-নদীর পানিই কয়েক সেন্টিমিটার করে কমেছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সিলেট কার্যালয় জানিয়েছে, বেলা ১২টা পর্যন্ত সুরমা নদীর পানি কানাইঘাট পয়েন্টে বিপদসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এছাড়া কুশিয়ারা নদীর পানির উচ্চতা আমলশিদ, শেওলা পয়েন্টে পানি কয়েক সেন্টিমিটার কমলেও শেরপুর এবং ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে কয়েক সেন্টিমিটার বেড়েছে। পানি কমেছে সারি, লোভাছড়া নদেরও।
পানি কমতে থাকলে বন্যা পারিস্থতি উন্নতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে পানিবন্দি জনসাধারণের মধ্যে বিশুদ্ধ পানির অভাব তীব্র আকার ধারণ করেছে। গো খাদ্য সংকটও দেখা দিয়েছে। এছাড়া শুকনো খাবার না থাকায় ত্রাণের অপেক্ষায় রয়েছেন দুর্গত এলাকার মানুষ। তবে প্রশাসন ও বেসরকারি সংগঠনের উদ্যোগে বিভিন্ন স্থানে ত্রাণ বিতরণ অব্যাহত রয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত সিলেটে বৃষ্টিপাত হয়নি। এমন অবস্থা বিদ্যমান থাকলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে, দ্রুত নামতে শুরু করেছে সুনামগঞ্জের সুরমা নদীর পানি। মঙ্গলবার সুনামগঞ্জের ষোলঘর পয়েন্টে সুরমা নদীর পানি বিপৎসীমার ১৫ সে.মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নদীর পানি কমে যাওয়ায় সুনামগঞ্জ শহরের অধিকাংশ জায়গা থেকে বন্যার পানি নেমে গেছে। শহরের মধ্যে হাজিপাড়া এলাকায় কিছু এলাকায় জলামগ্ন আছে। পানি নেমে যাওয়ায় শহরের বিভিন্ন সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। জেলা শহরের সঙ্গে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক হলেও তাহিরপুর উপজেলার সঙ্গে এখনও সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।দ্রুত নামতে শুরু করেছে সুনামগঞ্জের সুরমা নদীর পানি। মঙ্গলবার সুনামগঞ্জের ষোলঘর পয়েন্টে সুরমা নদীর পানি বিপৎসীমার ১৫ সে.মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নদীর পানি কমে যাওয়ায় সুনামগঞ্জ শহরের অধিকাংশ জায়গা থেকে বন্যার পানি নেমে গেছে। শহরের মধ্যে হাজিপাড়া এলাকায় কিছু এলাকায় জলামগ্ন আছে। পানি নেমে যাওয়ায় শহরের বিভিন্ন সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। জেলা শহরের সঙ্গে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক হলেও তাহিরপুর উপজেলার সঙ্গে এখনও সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।

এদিকে, ভারতের আসাম প্রদেশ থেকে বন্যার পানি বাংলাদেশের নদ-নদীতে ঢুকা অব্যাহত থাকায় দেশের অনেক জেলায় বন্যা পরিস্থিতি ক্রমশ অবনতির দিকে যাচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে আগামী কয়েকদিনের মধ্যে দেশের বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করবে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।
সিলেটের উজানে ভারতের মেঘালয়, আসামের করিমগঞ্জ ও মণিপুরসহ বিস্তীর্ণ এলাকা। অপেক্ষাকৃত উঁচু ওই অঞ্চলের পানি নিষ্কাশনের পথ হলো সিলেট। সুরমা, কুশিয়ারাসহ অন্তত ১০টি শাখা নদী হয়ে এই পানি বাংলাদেশে প্রবেশ করে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ