সর্বশেষ

পানি কমতে শুরু করছে
গোয়াইনঘাটে বন্যাক্রান্তদের দুর্ভোগ

গোয়াইনঘাটে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও বেড়েছে দুর্ভোগ। যোগাযোগ রয়েছে বিচ্ছিন্ন। কিছু ঘরবাড়ি থেকে পানি নামতে শুরু করছে। গো খাদ্যের তীব্রসংকট। দিনমজুররা রয়েছন বেকার।
সোমবার দিনের বেলায় বৃষ্টি না হওয়ায় বন্যার পানি কমেছে। তলিয়ে যাওয়া কিছু ঘরবাড়ি থেকে পানি নামলেও দুর্ভোগ বেড়েছে। কর্দমাক্ত ঘরবাড়ি, অন্যবাড়িতে রাখা মালপত্র গুছাতে ব্যস্ত নরনারীরা জ্বালাতে পরছেন না চুলোয় আগুন। অনেকের ঘরেই নেই খাবার। পশ্চিম জাফলং ইউপির সদস্য আব্দুল মমিন জানান এই ইউপি ৪২টি গ্রামের মধ্যে ৩৩ টি গ্রামই মারাত্মক আক্রান্ত হয়েছে।

মানাইকান্দে, বগইলকান্দি, লক্ষনছড়া, আলীছড়া রাজনগর, ৬, ৭, ৮ ও ৯নং ওয়ার্ডে বিভিন্ন গ্রামে অনেক বাড়িতে এখনও পানি রয়েছে। জি আর ৪ টন চাল আজ ইউপি অফিসে বিতরন করা হয়েছে তবে ৮ ও ৯নং ওয়ার্ডের চাল সংশ্লিষ্ট মেম্বাররা বিতরনের জন্য নিয়েছেন। ইউপি সচিব জানান ৯ নং ওয়ার্ডে ৫শত কেজি চাল ৫পেঃ শুকনো খাবার দেয়া হয়েছে। আলীর গ্রামের আক্রান্তরা জানান, ত্রানের খবরই মেম্বার জানাননি। ঐ গ্রামের পূর্ব উত্তর পাড়ার আক্রান্তরা মানবেতর অবস্থায় থাকলেও কেউ ত্রাণ পাননি। গ্রামের ত্রাণ কমিটির সদস্য জমসেদ আলী বলেন আমাকে ত্রাণের কথা কেউ বলেনি। মেম্বার মূকুল বলেন ৫শত কেজি চাল ৫ পেকেট শুকনো খাবার ১ পেকেট শিশু পেয়ে আজ যাত্রী ছাউনিতে বিতরন করেছি।

এ সময় কোন ট্যাগ অফিসার ছিলেন না। সাধারনের অভিযোগ সঠিক ভাবে ত্রান বন্টন না হওয়ায় প্রকৃতরা বঞ্চিত হচ্ছেন। সরকার কোটি কোটি টাকার ত্রান দিলেও পৌঁছে না ভুক্তভোগীদের হাতে। বন্যার পানি ধীর গতিতে কমছে এখনও যোগাযোগ স্থাপিত হয়নি।কয়েক হাজার শ্রমজিবী মানুষের দিনকাটছে মানবেতর অবস্থায়। তদারকির অভাবে সুষ্ঠ বন্টন হচ্ছে না ত্রাণ।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ