সর্বশেষ

বিশ্বনাথে সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা : আটক ৫

সিলেটের বিশ্বনাথে দু’পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় থানায় এক পক্ষ মামলা দায়ের করেছে। এ ঘটনায় বুধবার (২৪ জুন) সকাল পর্যন্ত উভয় পক্ষের ৫ জনকে আটক করেছে থানা পুলিশ।

এদিন বিকেলে নিহত ওয়ারিশ আলীর স্ত্রী নুরুননেছা (৫০) বাদী হয়ে প্রতিপক্ষের ২০ জনের নাম উল্লেখসহ আরও ৮/১০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে বিশ্বনাথ থানায় মামলা দায়ের করেছেন, (মামলা নং-১৫)। ওই মামলায় প্রতিপক্ষের নিহত মখলিছ মিয়ার ছোটভাই ইউপি সদস্য ফজলু মিয়া (৫০) ও একই গ্রামের গিয়াস উদ্দিনকে (২৫) গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

অন্যদিকে নিহত মখলিছ মিয়ার পক্ষে বুধবার বিকেল পর্যন্ত মামলা দায়ের না হওয়ায় থানায় আটক থাকা নিহত ওয়ারিশ আলীর ছেলে রুয়েল আহমদ (২৫), সুহেল আহমদ (১৮) ও পার্শ্ববর্তী বড়তলার মানিক মিয়াকে (৩৮) ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠিয়েছে থানা পুলিশ।

বিশ্বনাথ থানার ওসি শামীম মুসা বলেন, আটক ৫জনের মধ্যে এক পক্ষের মামলায় ইউপি সদস্যসহ দু’জনকে আর বাকি ৩ জনকে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। বাকি অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত আছে।

প্রসঙ্গত, মনোকুপা গ্রামের নুরুল ইসলাম ও সমছু মিয়ার পূর্ব পুরুষদের রেখে যাওয়া জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তাদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। সর্বশেষ মঙ্গলবার (২৩জুন) বিকেলে স্থানীয় মুন্সির বাজার থেকে আসার পথে নুরুল ইসলাম পক্ষের ওয়ারিশ আলীকে হামলা করেন প্রতিপক্ষের লোকেরা।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওইদিন সন্ধ্যায় দু’পক্ষের সংঘর্ষে উভয় পক্ষে ১৫জন আহত হন। আর গুরুতর আহত সমছু মিয়ার ভাই মখলিছ মিয়া (৬৫) ও নুরুল ইসলামের খালাতো ভাই ওয়ারিশ আলীকে (৬০) সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদেরকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ