সর্বশেষ

হবিগঞ্জে শর্তসাপেক্ষে খুলে দেয়া হচ্ছে হোটেল-রেস্টুরেন্টগুলো

 

শর্তসাপেক্ষে হবিগঞ্জ জেলাসহ নবীগঞ্জ উপজেলার হোটেল রেস্টুরেন্টগুলো খুলে দেয়া হচ্ছে। আজ শনিবার ( ২৫ এপ্রিল) হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসন ও নবীগঞ্জ উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তার ফেইসবুক পেইজ ও জানিয়েছেন।

জেলা প্রশাসন এর লাইসেন্সধারী হোটেল/রেস্তোরাঁ/মিষ্টির দোকান মালিকগন আবেদনের ভিত্তিতে অনুমতি সাপেক্ষে দুপুর ২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সীমিত পরিসরে ইফতার সামগ্রী পার্সেল/হোম ডেলিভারি পদ্ধতিতে বিক্রি করতে পারবেন।
তবে এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পার্সেল হিসেবে খাবার বিক্রির সুযোগ থাকার বিষয়টি জানেন না অনেক মালিক। এ কারণে তারা হোটেল খুলছেন না বলে দাবি করেছন। জনবল সঙ্কটের কারণে ক্রেতাদের সেবা দিতে পারছেন না অনেক হোটেল কর্তৃপক্ষ।
পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ব্যবসায়ীদের সাথে জেলা প্রশাসকে সভায় নিম্নলিখিত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

জেলা প্রশাসনে লিখিত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে লাইসেন্সধারী হোটেল/রেস্তোরাঁ/মিষ্টির দোকান বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণপূর্বক সীমিত আকারে ইফতার বিক্রয়ের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। জেলা প্রশাসনের ব্যবসা বাণিজ্য শাখায় আজ থেকে শুরু করে আগামী ৩ দিন দুপুর ২টা পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করা হবে।

যেসব নিয়ম মানতে হবে ব্যবসায়ীকেঃ

১. লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠান হতে হবে এবং তা হালনাগাদ করা থাকতে হবে।
২. বসার কোন ব্যবস্থা রাখা যাবে না। শুধু পার্সেল সার্ভিস
৩. প্রতিষ্ঠান/দোকানের সকলকে ব্যক্তিগত সুরক্ষা পোশাক থাকতে হবে। মাস্ক/গ্লাভস/ক্যাপ/সুরক্ষা পোশাক সকল কর্মচারীদের কমপক্ষে ২ সেট মালিকপক্ষ হতে সরবরাহ করতে হবে এবং কর্মচারীদের এসবের ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।
৪. ৩ ফিট দূরত্বে মার্কিং করতে হবে এবং বিক্রয়ের সময় এই দূরত্ব নিশ্চিত করবেন। মালিকপক্ষ হতে নিজ দায়িত্বে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
৫. দোকান দুপুর ২টা হতে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে। প্রস্তুতির জন্য কর্মচারীরা ২টার পূর্বে আসতে পারবেন তবে শাটার খোলা রাখা যাবে না। কোন কিছু বিক্রয় করা যাবে না।
৬. রাস্তার বা ফুটপাথের উপর কিংবা কোন খোলা স্থানে কোন কিছু রান্না করা যাবে না।
৭. খাদ্যে ভেজাল বা রং ব্যবহার করা যাবে না।
৮. দ্রব্যমূল্যের দাম বৃদ্ধি করা যাবে না।
৯. সামাজিক দূরত্ব নিজ দায়িত্বে নিশ্চিত করতে হবে।
১০. জেলা প্রশাসন প্রদত্ত সকল নিয়মাবলি মানতে হবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নবীগঞ্জ উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা বিশ্বজিত কুমার পালকে অনেক বার কল দেয়া হলে রিসিভ করেন নি। ফেইবুক পেইজ ও বলেন, উপরের নিয়মাবলির কোন ব্যত্যয় ঘটলে যে কোন মুহুর্তে অনুমতি বাতিলসহ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ