সর্বশেষ

অসহায়দের পাশে জামালগঞ্জের ওসি

দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে মানুষ যখন দিশেহারা ঠিক এই মুহুর্তে মানুষকে সুরক্ষিত ও সচেতনতা সহ হোম কোয়ারান্টিন রাখতে সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাচ্ছে সুনামগঞ্জ জেলার জামালগঞ্জ পুলিশ প্রশাসন।

প্রতিদিনই পুলিশ প্রশাসন প্রতিটি হাটবাজারসহ বিভিন্ন গ্রামে গ্রামে মানুষকে ঘরমুখি করতে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশে প্রতিটি ইউনিয়নে বিদেশ ফেরত ও বর্তমানে ঢাকা, না. গঞ্জ, নরসিংদী থেকে আসা লোকজনের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তালিকা তৈরী করা তাদেরকে হোম কোয়ারেন্টিনে থাকতে বাধ্য করাসহ প্রতিটি মসজিদে পাঁচ জনের বেশি মুসুল্লি না হওয়া এবং প্রতিটি মানুষকে সচেতন করেই দায়িত্ব শেষ করেননি। নিজের বেতনের টাকা দিয়ে রাতের আধারে পরিবারের বাড়ি বাড়ি গিয়ে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছেন ওসি মো সাইফুল আলম।

উপজেলার ফেনারবাক ইউনিয়নের সাত বারের ইউপি চেয়ারম্যান করুণা সিন্ধু তালুকদার বলেন, স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে শুরু করে জাতীর যে কোন ক্রান্তিলগ্নে পুলিশ নিজেদের মায়া ত্যাগ করে মানুষের জন্য আত্ম নিয়োগ করেছেন ঘুর্ণিঝড় সিডর ও ৭৪ এবং ৮৮ প্রলয়ঙ্কারী বন্যায় প্রতিটি ক্ষেত্রে জীবন বাজি রেখে কাজ করে গেছেন।

সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা লীগের সভাপতি ও সাবেক জামালগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযোদ্বা সংসদ কমান্ডার অ্যাডভোকেট আসাদ উল্লাহ সরকার বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে রাজারবাগ পুলিশ লাইন থেকে পুলিশই প্রথম পাকিস্তানি হানাদারদের দিকে গুলি ছুড়ে, সেই যুদ্ধে অনেক পুলিশ শহীদ হন।বাংলাদেশ যতদিন রবে ততদিন তাদের নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। এই দূর্যোগে অনেকেই সহযোগিতায় এগিয়ে এসেছেন তাদের মধ্যে ওসি মো সাইফুল আলমও একজন মানবিক যেদ্ধা। তার কর্ম মানুষ মনে রাখবে অনেকদিন।

এ ব্যাপারে জামালগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো সাইফুল আলম বলেন,সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক মানুষের কল্যানে আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করে যাচ্ছি। আমি এই দানটুকু আল্লাহ রাব্বুল আলামিনকে খুশির উদ্দেশ্যে লোকসমাগম ছাড়া বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের বর্তমান পেক্ষাপট বুঝে নিজের সাধ্য মত নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী দেওয়ার চেষ্টা করছি। আমি চাই সবাই যেন দেশের দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবেলায় এগিয়ে আসে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ