সর্বশেষ

একদিনে বজ্রপাতে সিলেট ও সুনামগঞ্জে ৬ জনের মৃত্যু


একদিনে বজ্রপাতে সিলেট ও সুনামগঞ্জে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে সুনামগঞ্জ জেলার চারটি উপজেলায় ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। অপরদিকে সিলেট সদর উপজেলায় বজ্রপাতে পিতা-পুত্রের প্রাণহানি ঘটেছে।
আজ শনিবার কালের সিলেটের প্রতিনিধিদের পাঠানো সংবাদে জানা গেছে, ধান কাটতে ও ও গরু মাঠে চড়াতে গিয়ে বজ্রপাতে শিকার হয়ে এসব মৃত্যু ঘটেছে। আহত হয়েছেন অনেকে। এছাড়াও দুটো গরুর মৃত্যু হয়েছে।
সিলেট ঃ
সিলেট সদর উপজেলার কালারুকায় বজ্রপাতে ধানকাটা শ্রমিক পিতা-পুত্রের করুণ মৃত্যু হয়েছে। তারা হচ্ছে- কালারুকা গ্রামের সমসর আলী (৫৮) ও তার ১২ বছর বয়সী পুত্র সাইফুল।
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ সূত্রে জানা নেই, কালারুকা হাওরে কয়েকজন শ্রমিক ধান কাটছিল। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আকস্মিক বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলে পিতা-পুত্রের মৃত্যু হয়। এতে আরো ১০/১২ জন শ্রমিক আহত হয়েছেন বলে জানান তিনি।

শাল্লা ঃ
শাল্লায় হাওরে ধান কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে প্রাণ হারিয়েছেন শংকর সরকার (২৮) নামে এক কৃষক।
শনিবার সকাল ১১টায় উপজেলার ভান্ডারবিল হাওরে এই ঘটনা ঘটে।
নিহত শংকর উপজেলার হবিবপুর ইউনিয়নের নারায়নপুর গ্রামের সুরেন্দ্র সরকারের ছেলে।

দক্ষিণ সুনামগঞ্জ ঃ
আজ শনিবার সুনামগঞ্জ জেলার দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার পাথারিয়া ইউনিয়নের গাজীনগর হাওরে গরু চড়াতে গিয়ে বজ্রপাতে ফরিদ মিয়া (৩৫) নামে এক রাখালের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় বজ্রাঘাতে মারা যায় দু’টি গরুও।
নিহত ফরিদ মিয়া উপজেলার উত্তর গাজীনগর গ্রামের আমিরুল ইসলামের ছেলে।

জগন্নাথপুর ঃ
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে হাওরে গরু চড়াতে গিয়ে বজ্রপাতে প্রাণ হারিয়েছেন এক যুবক। তাঁর নাম শিপন মিয়া (২৭)।তিনি উপজেলার বাউধরন গ্রামের তবারক মিয়ার ছেলে।
শনিবার বেলা ১১ টার দিকে উপজেলার নলুয়ার হাওরে বজ্রপাতে তার মৃত্যু হয়।

দিরাই ঃ
দিরাই উপজেলার উদগল হাওরের চিনাউড়া নামক স্থানে তাপস মিয়া (৩৫) নামে ধানকাটার এক শ্রমিক বজ্রপাতের কবলে পরে মারা যান বলে জানিয়েছেন আমাদের দিরাই প্রতিনিধি। তিনি জানান তাপস মিয়া হবিগঞ্জ জেলার আজমিরিগঞ্জ উপজেলার জলসুখা গ্রামের মফিজ উল্লার পুত্র।

50% LikesVS
50% Dislikes
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ